মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৪৪
শিরোনাম :
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

ইসরাইলি দুই গুপ্তচরকে গ্রেফতার করেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করা দুই গুপ্তচরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। রোববার (১৫ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে।

ইরান জানিয়েছে, আলবুর্জ প্রদেশে মোসাদের দুই গোয়েন্দাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা বিস্ফোরক ও ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস প্রস্তুত করছিল।

এদিকে ইরানের হয়ে কাজ করায় দু’জনকে গ্রেফতার করার দাবি করেছে ইসরাইল। শনিবার টাইমস অব ইসরাইলের খবরে দাবি করা হয়, ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কার্যক্রমের দায়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়, ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ইরানের ভেতরে একটি গোপন ড্রোন তৈরির কারখানা স্থাপন করেছিল বলে দাবি করেছে একাধিক গোয়েন্দা সূত্র। সেখান থেকে পরিচালিত বিস্ফোরক ড্রোন হামলাতেই ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি তাদের।

ইরানে তখন গভীর রাত। মুহূর্তেই রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে আগুনের ঝলকানিতে আলোকিত হয়ে ওঠে চারপাশ। এরপরই শুরু হয় ধারাবাহিক হামলা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরাকের সাথে যুদ্ধের পর থেকে সবচেয়ে বড় হামলার মুখোমুখি হয়েছে ইরান। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংসের জন্য এ অভিযান চালানো হয়।

গোয়েন্দা সূত্র মতে, শুক্রবার (১৪ জুন) ভোরে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) যখন তাদের অপারেশন রাইজিং লায়ন শুরু করে, তখনই ড্রোনগুলো সক্রিয় করে মোসাদ। এরপর তারা ইসরাইলের দিকে তাক করে রাখা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলগুলোতে হামলা চালিয়ে অকোজো করে দেয়। এতে, ইসরাইল বিনা প্রতিরোধেই হামলা চালাতে থাকে।